দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্যের নিদর্শন মাটির ঘর হারিয়ে যাচ্ছে
- প্রকাশের সয়ম :
বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
-
১১৭
বার দেখা হয়েছে

ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির ঘর শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে কালের বিবর্তনে ইটের দালানকোটা আর বড় বড় অট্রালিকার কাছে হার মানছে মাটির বাড়ি ঘর। মাটির ঘরে দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের শিলিং তৈরি করে তার ওপর খর বা টিনের ছাউনি দেয়া হতো। মাটির বাড়ি ঘর অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। সব ঘর বড় মাপের হয়না। গৃহিনীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন।
প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমান সময়ে দীর্ঘ স্থায়ীত্বের কারণে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি নির্মাণের আগ্রহী হচ্ছেন। এদিকে সদরের আজিজুল হক এর বাড়িতে দেখা মিলেছে মাটির তৈরি ঘর।
অনেকেই মাটির তৈরি ঘর পেয়েছেন পৈত্রিক ভাবে। তাদের পূর্ব পুরুষরাও এই মাটির তৈরি বাড়িতেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। তবে মাটির বাড়ি বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার সময় অধিকাংশ মানুষ মাটির বাড়ি ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক লোকের নিবাস কল্পে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি-ঘর তৈরি করছেন বলে অনেকের ধারণা। কিন্তু এখন আর মাটির ঘর তেমন একটা দেখা যায় না। সময়ের সঙ্গে মাটির ঘরগুলো হারিয়ে যাচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/রাফি
Please Share This Post in Your Social Media